করোনা প্রতিরোধে করুনাময় এর ভূমিকায় পুলিশ

24th March 2020 হুগলী
করোনা প্রতিরোধে করুনাময় এর ভূমিকায় পুলিশ


নিজস্ব সংবাদদাতা ( শেওড়াফুলি ) : মঙ্গলবার সকালে শেওড়াফুলিতে দেখা গেলো পুলিশের মানবিক রূপ। আমরা জানি পুলিশ মানেই শাষনকর্তা।অন্যায়ে লাঠি উঁচিয়ে তেরে আসা ।  সারা বিশ্ব যখন করোনা  আতঙ্কে আতঙ্কিত সেই পরিস্থিতিতে দেখা গেল পুলিশকে  অতি সক্রিয় হতে।  কারণ পুলিশ পারে মানুষকে সচেতন করতে। আর এই করোনা আতঙ্ককে উপেক্ষা করে যখন বৃদ্ধ - বৃদ্ধারা  অজ্ঞাতসারে বেড়িয়ে পড়ছে। কেউ আবার পেটের তাগিদে রাস্তায়।   সাধারন মানুষকে   সচেতন করতে বেড়িয়ে  শেওড়াফুলি ফাঁড়ির দুই পুলিশকর্মী  আলতাফ হোসেন এবং  সুমন ভট্টাচার্য  দেখতে পায়  শেওড়াফুলি এক নম্বর প্লাটফর্মের ওভারব্রিজের সামনে এক প্রবীণ মহিলা মাস্ক ছাড়া  বসে আছেন । শুধু তাকে সচেতন করা নয় সেই সাথে নিজেদের পকেটের পয়সা খরচা করে ওই বয়স্ক মানুষদের করোনার হাত থেকে বাঁচাতে নিজেদের হাতে  পড়িয়ে দিলেন মাস্ক।  যাদের সম্বল বলতে কেউ নেই তাদের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক মুখ দেখালেন এই  দুই পুলিশকর্মী।  পুলিশের এই রূপ দেখে খুশি সাধারণ মানুষ, খুশি পুলিশের আধিকারিকরাও।





Others News

নিম্মচাপের জেরে অতিবৃষ্টি : হুগলী জেলায় ব‍্যাপক ক্ষতি চাষে

নিম্মচাপের জেরে অতিবৃষ্টি : হুগলী জেলায় ব‍্যাপক ক্ষতি চাষে


সুজিত গৌড় ( হুগলী ) :  নিম্ন চাপের জেরে শনিবার থেকে অকাল বৃষ্টিতে মাথায় হাত চাষীদের।
জেলায় আলু চাষে ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়ে যাবে কয়েক লক্ষ টাকার উপর বলে দাবি চাষীদের। ধান জমিতে যেমন ক্ষতির পাশাপাশি হুগলী জেলা জুড়ে ব্যাপক ক্ষতি এবার আলু চাষে। চলতি বছরে বার বার নিম্নচাপ  চাপের জেরে যেভাবে ধান চাষ পিছিয়ে ছিল ঠিক আলু চাষও পিছিয়ে ছিল প্রায় পনোর দিন। তবে গত শুক্রবার পযন্ত হুগলী জেলায় প্রায় ৩০ শতাংশ জমিতে বসানো হয়ে গিয়েছিল আলু এবং ৬০ শতাংশ জমি আলু চাষ উপযোগী করে তুলে ছিলেন চাষীরা। ধান চাষের মত আলু চাষের শুরুতে এবার কাল হয়ে উঠলো অকাল বৃষ্টি। অকাল বৃষ্টির ফলে যে সব জমিতে ইতি মধ্যেই আলু বসানো হয়ে গিয়েছিল, সেই সব জমিতে জল জমে থৈ থৈ করছে। ফলে জমিতে বসানো সমস্ত আলু বীজ পচে নষ্ট হতে বসেছে।  কারণ আলু বসানোর পর অন্তত পনেরো থেকে কুড়ি দিন কোনো জলের প্রয়োজন পরে না আলু চাষের ক্ষত্রে।
এ বছর এক বিঘা জমিতে চাষ উপযোগী করে আলু বসানো পযন্ত চাষীদের খরচ পড়েছে প্রায় পনেরো হাজার টাকা অন্যদিকে আলু বসানোর আগে পর্যন্ত  এক বিঘা জমিকে  চাষ উপযোগী করে তুলতে খরচ পড়েছে প্রায় সাত হাজার টাকা। অর্থাৎ ইতি মধ্যে নিম্ন চাপের জেরে অকাল বর্ষণে হুগলী জেলার ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়েছে লক্ষ  লক্ষ টাকার উপর। জেলায় আলু চাষের জমির পরিমান ৯০ হাজার হেক্টর জমি। সেমবার সকাল থেকেই  আলু জমি থেকে জল বের করে আলু বীজ বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টা করছেন চাষীরা। চাষীদের দাবি অকাল বর্ষণে একেবারে সর্বস্বান্ত  হয়ে পড়েছে। আবার নতুন করে আলু বসানো বা জমি তৈরি করে আবার আলু বসানো অনেকের পক্ষেই আর সম্ভব হবে না।
অন্যদিকে আবহাওয়া উপযোগী হলে পুনরায় জমি আলু চাষের উপযোগী করে আলু বসাতে সময় লাগতে পারে পনেরো থেকে কুড়ি দিন। ফলে আলু চাষে ফলন যেমন কমবে খাবার আলুর জোগানেও পড়বে টান। আগামী দিনে ধানের ক্ষতির ফলে যেমন  চালের যোগান টান পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।  ঠিক তেমনি আগামী দিনে খাবার আলুর জোগানেও টান পড়বে বলে মত চাষীদের।